একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬
একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে আপনারা অনেকেই জানতে আগ্রহী। বিশেষ করে আপনি যদি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের নিয়মিত যাত্রী হয়ে থাকেন। তবে এই ট্রেনটি আপনার যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হতে পারে। আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী বিরতি স্টেশন, টিকিটের বর্তমান মূল্য ও যাত্রীদের জন্য কী কী সুবিধা রয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। নিরাপদ ও আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি যাত্রীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ২০২৬ সালের নতুন সময়সূচী অনুযায়ী ট্রেনটি কখন ছাড়ে ও কখন গন্তব্যে পৌঁছায়, সেই সব তথ্য ধাপে ধাপে নিচে তুলে ধরা হলো। চলুন জেনে নেওয়া যাক একতা এক্সপ্রেস নিয়ে বিস্তারিত সব তথ্য।
একতা এক্সপ্রেস ট্রেন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য
একতা এক্সপ্রেস বাংলাদেশ রেলওয়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি আন্তঃনগর ট্রেন। ট্রেনটি মূলত ঢাকা এবং পঞ্চগড় জেলার মধ্যে চলাচল করে। একতা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭০৫/৭০৬) ১৯৮৬ সালের ২৪ জুন প্রথম যাত্রা শুরু করে। সেই সময়ে এটি ঢাকা থেকে দিনাজপুর পর্যন্ত চলাচল করত। পরবর্তীতে যমুনা সেতু চালু হওয়ার পর এবং যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদার কারণে ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর থেকে এর রুট পঞ্চগড় পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
বর্তমানে একতা এক্সপ্রেস ব্রডগেজ রেলপথে চলাচল করে এবং একে বাংলাদেশের অন্যতম দ্রুতগামী ও বিলাসবহুল ট্রেন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ট্রেনটিতে মোট ১২টি বগি সংযুক্ত থাকে। এর মধ্যে এসি চেয়ার, এসি স্লিপার, শোভন চেয়ার এবং খাবার বগি বা প্যান্ট্রি কার রয়েছে। আধুনিক এলএইচবি (LHB) কোচ যুক্ত থাকায় এই ট্রেনে ভ্রমণ করা অত্যন্ত আরামদায়ক ও নিরাপদ।
একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
যারা নিয়মিত রেলে যাতায়াত করেন তাদের জন্য ট্রেনের সঠিক সময় জানাটা খুবই জরুরি। একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা ও পঞ্চগড় উভয় প্রান্ত থেকেই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে চলাচল করে। সময়ানুবর্তিতার কারণে যাত্রীদের কাছে এই ট্রেনের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। নিচে ২০২৬ সালের সর্বশেষ সময়সূচী ছক আকারে দেওয়া হলো।
নতুন সময়সূচী অনুযায়ী,একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ছেড়ে যায় এবং পঞ্চগড়ে পৌঁছায় রাত ৯টায়। আবার ফিরতি পথে পঞ্চগড় থেকে রাত ৯টায় ছেড়ে পরের দিন সকাল ৮টা ১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছায়।
ঢাকা ও পঞ্চগড় রুটের সময়সূচী ২০২৬
নিচে সংক্ষেপে ছাড়ার এবং পৌঁছানোর সময় দেওয়া হলো:
| রুট | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় |
| ঢাকা থেকে পঞ্চগড় | সকাল ১০:১০ | রাত ০৯:০০ |
| পঞ্চগড় থেকে ঢাকা | রাত ০৯:০০ | সকাল ০৮:১০ |
বিঃদ্রঃ বাংলাদেশ রেলওয়ে যেকোনো সময় অনিবার্য কারণে সময়সূচী পরিবর্তন করতে পারে। তাই ভ্রমণের আগে রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (railway.gov.bd) থেকে সময় মিলিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
ঢাকা থেকে পঞ্চগড় একতা এক্সপ্রেস বিরতি স্টেশন ও সময়সূচী
ঢাকা থেকে পঞ্চগড় যাওয়ার পথে একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি মোট ১৯টি স্টেশনে বিরতি দেয়। এর ফলে শুধু পঞ্চগড় নয় বরং টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং দিনাজপুরের যাত্রীরাও এই ট্রেনে যাতায়াত করতে পারেন। প্রতিটি স্টেশনে পৌঁছানো ও ছেড়ে যাওয়ার সময় নিচে দেওয়া হলো:
| স্টেশন | আগমন | প্রস্থান |
| কমলাপুর (ঢাকা) | — | সকাল ১০:১৫ |
| বিমানবন্দর | সকাল ১০:৩৮ | সকাল ১০:৪৩ |
| জয়দেবপুর | সকাল ১১:০০ | সকাল ১১:০৯ |
| টাঙ্গাইল | দুপুর ১২:০৩ | দুপুর ১২:০৫ |
| ইব্রাহিমাবাদ | দুপুর ১২:২৫ | দুপুর ১২:২৭ |
| এম মনসুর আলী | দুপুর ১২:৪৩ | দুপুর ১২:৪৫ |
| উল্লাপারা | দুপুর ০১:০১ | দুপুর ০১:০৪ |
| ঈশ্বরদী বাইপাস | দুপুর ০২:০৯ | দুপুর ০২:১১ |
| নাটোর | বিকাল ০২:৫৩ | বিকাল ০২:৫৭ |
| সান্তাহার | বিকাল ০৪:০০ | বিকাল ০৪:০৫ |
| আক্কেলপুর | বিকাল ০৪:২৫ | বিকাল ০৪:২৭ |
| জয়পুরহাট | বিকাল ০৪:৫০ | বিকাল ০৪:৫৩ |
| পাচবিবি | বিকাল ০৫:১২ | বিকাল ০৫:১৪ |
| বিরামপুর | বিকাল ০৫:৩৪ | বিকাল ০৫:৩৭ |
| ফুলবাড়ি | বিকাল ০৫:৪৮ | বিকাল ০৫:৫১ |
| পার্বতীপুর | সন্ধ্যা ০৬:১৫ | সন্ধ্যা ০৬:২৫ |
| ছিরিরবন্দর | সন্ধ্যা ০৬:৪০ | সন্ধ্যা ০৬:৪২ |
| দিনাজপুর | সন্ধ্যা ০৭:০০ | সন্ধ্যা ০৭:০৫ |
| সেতাবগঞ্জ | সন্ধ্যা ০৭:৩৫ | সন্ধ্যা ০৭:৩৭ |
| পিরগঞ্জ | সন্ধ্যা ০৭:৫১ | সন্ধ্যা ০৭:৫৩ |
| ঠাকুরগাঁও | রাত ০৮:১৫ | রাত ০৮:১৮ |
| রুহিয়া | রাত ০৮:৩৩ | রাত ০৮:৩৫ |
| কিসমাত | রাত ০৮:৪২ | রাত ০৮:৪৪ |
| পঞ্চগড় | রাত ০৯:০০ | — |
পঞ্চগড় থেকে ঢাকা একতা এক্সপ্রেস বিরতি স্টেশন ও সময়সূচী
উত্তরাঞ্চল থেকে যারা ঢাকায় ফিরবেন তাদের জন্য একতা এক্সপ্রেস রাতের জার্নির জন্য সেরা হতে পারে। পঞ্চগড় থেকে ট্রেনটি রাতে ছেড়ে আসে ফলে সারারাত ঘুমিয়ে সকালে ঢাকায় পৌঁছে অফিসের কাজ ধরা যায়। ফিরতি পথের প্রধান স্টেশনগুলোর সময়সূচী নিচে দেওয়া হলো:
| স্টেশন | আগমন | প্রস্থান |
| পঞ্চগড় | — | রাত ০৯:১০ |
| দিনাজপুর | রাত ১১:০৫ | রাত ১১:১৩ |
| সান্তাহার | রাত ০১:৫৫ | রাত ০২:০০ |
| নাটোর | রাত ০২:৪১ | রাত ০২:৪৪ |
| উল্লাপাড়া | ভোর ০৪:১২ | ভোর ০৪:১৫ |
| টাঙ্গাইল | ভোর ০৫:১২ | ভোর ০৫:১৪ |
| জয়দেবপুর | সকাল ০৬:১৪ | সকাল ০৬:২১ |
| কমলাপুর (ঢাকা) | সকাল ০৭:২০ | — |
এই প্রধান স্টেশনগুলো ছাড়াও ট্রেনটি পার্বতীপুর, রংপুর, গাইবান্ধা ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রীদের সুবিধার্থে থামে। এতে স্থানীয় যাত্রীরাও সহজে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাতায়াত করতে পারেন।
একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট মূল্য তালিকা ২০২৬
ট্রেন ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় ভাড়ার বিষয়টি জানা অত্যন্ত জরুরি। একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে সব শ্রেণির মানুষের জন্য সিটের ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণ শোভন চেয়ার থেকে শুরু করে বিলাসবহুল এসি কেবিন বা স্লিপার সব সুবিধাই এখানে পাওয়া যায়। দূরত্ব এবং সিটের ধরন অনুযায়ী ভাড়ার তারতম্য হয়ে থাকে। নিচে ঢাকা থেকে পঞ্চগড় রুটের টিকিটের মূল্য তালিকা দেওয়া হলো। উল্লেখ্য, এই ভাড়ার সাথে ১৫% ভ্যাট যুক্ত রয়েছে।
| আসনের নাম | মূল্য (১৫% ভ্যাটসহ) |
| শোভন চেয়ার | ৭৬০ টাকা |
| এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) | ১৪২০ টাকা |
| এসি স্লিপার | ১৭০০ টাকা |
আপনি যদি ঢাকা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত না গিয়ে মাঝখানের কোনো স্টেশনে নামেন তবে দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়া কম হবে। টিকিট আপনারা সরাসরি স্টেশনের কাউন্টার থেকে অথবা বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং ওয়েবসাইট (railway.gov.bd) থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।
একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সুবিধাসমূহ
একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বেশ কিছু আধুনিক সেবা প্রদান করে থাকে। দীর্ঘ যাত্রাপথে যাত্রীদের ক্লান্তি দূর করতে এবং ভ্রমণকে আনন্দদায়ক করতে এই সুবিধাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উন্নতমানের আসন ব্যবস্থা
এই ট্রেনে শোভন চেয়ার, এসি চেয়ার এবং এসি স্লিপার বা বার্থের ব্যবস্থা রয়েছে। শোভন চেয়ারগুলো বেশ আরামদায়ক এবং খোলামেলা। যারা একটু নিরিবিলি এবং ঠাণ্ডা পরিবেশে ভ্রমণ করতে চান, তাদের জন্য এসি চেয়ার বা স্নিগ্ধা ক্লাস রয়েছে। আর রাতে ঘুমানোর জন্য রয়েছে এসি স্লিপার সুবিধা, যা একেবারে বাড়ির বিছানার মতো আরামদায়ক।
খাবার বগি বা প্যান্ট্রি কার
দীর্ঘ ভ্রমণের সময় যাত্রীদের খাবারের প্রয়োজন হয়। একতা এক্সপ্রেসে একটি সংযুক্ত খাবার বগি রয়েছে। এখান থেকে আপনারা সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, রাতের খাবার, স্ন্যাকস, চা এবং কফি কিনতে পারবেন। ট্রেনের কর্মীরা সিটে এসে খাবারের অর্ডার নিয়ে যান এবং খাবার পৌঁছে দেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা
রেলপথে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রেনে সার্বক্ষণিক রেলওয়ে পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা টহল দেন। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তায় তারা সচেষ্ট থাকেন।
সময়ানুবর্তিতা
একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সাধারণত সময় মেনে চলে। খুব বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যান্ত্রিক ত্রুটি না থাকলে এটি সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছায়। এটি যাত্রীদের জন্য অনেক বড় একটি স্বস্তির বিষয়।
নামাজের ব্যবস্থা
মুসলিম যাত্রীদের নামাজ পড়ার সুবিধার্থে ট্রেনের নির্দিষ্ট একটি বগিতে নামাজের জায়গা রাখা হয়েছে। ওজু করে সেখানে জামাতের সাথে নামাজ পড়ার সুযোগ থাকে।
কেন একতা এক্সপ্রেস ট্রেন বেছে নেবেন?
বাসের তুলনায় ট্রেনে ভ্রমণ সবসময়ই আরামদায়ক ও নিরাপদ। বিশেষ করে ঢাকা-উত্তরাঞ্চল রুটে দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তি এড়াতে ট্রেনই সেরা মাধ্যম। একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া বাসের তুলনায় সাশ্রয়ী। এছাড়া ট্রেনের দুলুনি এবং জানলার পাশের দৃশ্য আপনার ভ্রমণকে আরও রোমাঞ্চকর করে তুলবে। পরিবারের সদস্য, বয়স্ক ব্যক্তি বা শিশুদের নিয়ে ভ্রমণের জন্য এই ট্রেনটি হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ।
অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম
বর্তমানে ঘরে বসেই খুব সহজে ট্রেনের টিকিট কাটা যায়। এর জন্য আপনাকে বাংলাদেশ রেলওয়ের ‘Rail Sheba‘ অ্যাপ অথবা তাদের ওয়েবসাইটে (railway.gov.bd) নিবন্ধন করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনি খুব সহজেই পছন্দের সিট বেছে নিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন। অনলাইন থেকে টিকিট কাটলে স্টেশনে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা থাকে না। তবে মনে রাখবেন যাত্রার ১০ দিন আগে অনলাইন টিকিট ছাড়া হয় ও চাহিদার কারণে খুব দ্রুত টিকিট শেষ হয়ে যায়।
রংপুর বিভাগের অন্যান্য জনপ্রিয় ট্রেন
একতা এক্সপ্রেস ছাড়াও রংপুর বিভাগে যাতায়াতের জন্য আরও বেশ কিছু ভালো মানের আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে। আপনি যদি একতা এক্সপ্রেসের টিকিট না পান বা সময় না মেলে, তবে নিচের ট্রেনগুলোতেও ভ্রমণ করতে পারেন:
- আন্তঃনগর রংপুর এক্সপ্রেস
- আন্তঃনগর লালমনি এক্সপ্রেস
- আন্তঃনগর বুড়িমারী এক্সপ্রেস
- আন্তঃনগর পঞ্চগড় এক্সপ্রেস
- দ্রুতযান এক্সপ্রেস
বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)
যাত্রীদের মনে একতা এক্সপ্রেস নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন থাকে। এখানে বহুল জিজ্ঞাসিত কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো:
একতা এক্সপ্রেস ট্রেন কি প্রতিদিন চলে?
হ্যাঁ, একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সপ্তাহের ৭ দিনই চলাচল করে। এই ট্রেনের কোনো সাপ্তাহিক ছুটির দিন নেই। তবে যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ শিডিউল পরিবর্তন করতে পারে।
একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট কোথায় পাবো?
আপনারা যেকোনো রেলওয়ে স্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিট কিনতে পারেন। এছাড়া অনলাইনে ‘Rail Sheba’ অ্যাপ বা রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকেও টিকিট সংগ্রহ করা সম্ভব। বর্তমানে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়, তাই কাউন্টারে সাধারণত স্ট্যান্ডিং টিকিট বেশি পাওয়া যায়।
একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের বর্তমান অবস্থান কীভাবে জানবো?
ট্রেনটি বর্তমানে কোথায় আছে তা জানতে আপনার মোবাইল থেকে মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন “TR <space> 705” অথবা “TR <space> 706” এবং পাঠিয়ে দিন ১৬৩১৮ নম্বরে। ফিরতি মেসেজে আপনি ট্রেনের অবস্থান জানতে পারবেন। প্রতি এসএমএস এর জন্য ৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য।
এই ট্রেনে কি খাবার পাওয়া যায়?
হ্যাঁ, এই ট্রেনে একটি মানসম্মত খাবার বগি বা ক্যান্টিন রয়েছে। সেখান থেকে আপনারা পছন্দমতো খাবার কিনে খেতে পারবেন।
শেষ কথা
আশা করি আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী, টিকিটের মূল্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত ভ্রমণের জন্য সঠিক তথ্য জানা খুবই জরুরি। একতা এক্সপ্রেস উত্তরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের এক বিশ্বস্ত নাম।



