Express Train

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬

আপনি কি রাজশাহী থেকে খুলনা বা খুলনা থেকে রাজশাহী রুটে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলো রেলপথ। আর এই রুটে যাত্রীদের প্রথম পছন্দ হলো কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস। আপনি যদি নিরাপদ এবং আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী খুঁজে থাকেন। তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্য হতে যাচ্ছে।

ট্রেনে ভ্রমণ বাংলাদেশিদের কাছে সব সময়ই আবেগের এবং স্বাচ্ছন্দ্যের। বিশেষ করে রাজশাহী এবং খুলনার মতো দুটি বিভাগীয় শহরের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই ট্রেনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আজকের এই পোষ্টে আমরা কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসের সময়সূচী, ভাড়ার তালিকা, বিরতি স্টেশন এবং টিকেট কাটার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। সঠিক তথ্য জেনে যাত্রা করলে আপনার ভ্রমণ হবে আরো সহজ ও ঝামেলামুক্ত।

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেন পরিচিতি

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেন। ট্রেনটি রাজশাহী এবং খুলনা রুটে চলাচল করে। এই ট্রেনটির নম্বর হলো ৭১৫ (যখন খুলনা থেকে রাজশাহী যায়) এবং ৭১৬ (যখন রাজশাহী থেকে খুলনা যায়)। ব্রডগেজ লাইনে চলাচলকারী এই ট্রেনটি যাত্রীদের কাছে এর সময়ানুবর্তিতা এবং সেবার মানের জন্য পরিচিত।

উত্তরবঙ্গের শিক্ষা নগরী রাজশাহী এবং দক্ষিণবঙ্গের শিল্প নগরী খুলনার মধ্যে সংযোগ স্থাপনে এই ট্রেনটি প্রতিদিন হাজারো যাত্রী পরিবহন করে। আপনি যদি বিজনেস ট্রিপ, পারিবারিক ভ্রমণ বা পড়াশোনার কাজে যাতায়াত করেন, তবে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানা আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী

যেকোনো ভ্রমণের পূর্বপ্রস্তুতির মূল অংশ হলো সঠিক সময়সূচী জানা। ট্রেন কখন ছাড়বে এবং কখন গন্তব্যে পৌঁছাবে, তা না জানলে অনেক সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে। যাত্রীদের সুবিধার্থে নিচে বিস্তারিত সময়সূচী দেওয়া হলো।

এই ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলো শনিবার। অর্থাৎ, শনিবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন এই ট্রেনটি নিয়মিত চলাচল করে।

রাজশাহী থেকে খুলনা সময়সূচী (ট্রেন নং ৭১৬)

রাজশাহী থেকে যাত্রা শুরু করার সময় এবং খুলনায় পৌঁছানোর সময় নিচে দেওয়া হলো:

  • ছাড়ার স্থান: রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন
  • ছাড়ার সময়: দুপুর ১৪:১৫ মিনিট
  • পৌছানোর স্থান: খুলনা রেলওয়ে স্টেশন
  • পৌছানোর সময়: রাত ২০:১০ মিনিট
  • সাপ্তাহিক ছুটি: শনিবার

খুলনা থেকে রাজশাহী সময়সূচী (ট্রেন নং ৭১৫)

খুলনা থেকে ফিরতি পথে ট্রেনটির সময়সূচী নিম্নরূপ:

  • ছাড়ার স্থান: খুলনা রেলওয়ে স্টেশন
  • ছাড়ার সময়: সকাল ০৬:১৫ মিনিট
  • পৌছানোর স্থান: রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন
  • পৌছানোর সময়: দুপুর ১২:০০ মিনিট
  • সাপ্তাহিক ছুটি: শনিবার

(দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশ রেলওয়ে যেকোনো সময় ট্রেনের সময়সূচী পরিবর্তন করার অধিকার রাখে। তাই ভ্রমণের আগে অনলাইন বা স্টেশনে খোঁজ নেওয়া ভালো।)

আরও জেনে নিনঃ করতোয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী

বিরতি স্টেশন ও সময়সূচী

একটি আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস যাত্রাপথে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। আপনি যদি রাজশাহী বা খুলনার মধ্যবর্তী কোনো স্থানের যাত্রী হন, তবে এই তালিকাটি আপনার কাজে লাগবে। নিচে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী বিরতি স্টেশনগুলোর নাম এবং সময় উল্লেখ করা হলো।

স্টেশনের নামরাজশাহী থেকে ছাড়ে (৭১৬)খুলনা থেকে ছাড়ে (৭১৫)
খুলনা০৬:১৫
নওয়াপাড়া১৯:৩৭০৭:১৮
যশোর১৯:০৫০৭:৪৯
মোবারকগঞ্জ১৮:৩১০৭:১৯
কোটচাঁদপুর১৮:১৭০৮:৩২
দর্শনা হল্ট১৭:৩৩০৯:০৩
চুয়াডাঙ্গা১৭:১০০৯:২৫
আলমডাঙ্গা১৬:৫০০৯:৪৪
পোড়াদহ১৬:৩৪১০:০০
মিরপুর১৬:২২১০:১৩
ভেড়ামারা১৬:০৯১০:২৫
পাকশী১৫:৫৫১০:৩৯
ঈশ্বরদী১৫:৩০১০:৫০
আজিমনগর১৫:১৬১১:২২
আব্দুলপুর১৫:০০১১:১০
রাজশাহী১৪:১৫

এই ছকটি দেখলে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত স্টেশনে ট্রেনটি কখন পৌঁছাবে। বিশেষ করে যারা যশোর বা ঈশ্বরদীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জংশন থেকে ট্রেনে উঠতে চান, তাদের জন্য এই সময়গুলো মনে রাখা জরুরি।

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়ার তালিকা

ভ্রমণের পরিকল্পনায় বাজেটিং বা খরচের হিসাব একটি বড় বিষয়। কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়ার তালিকা নির্ভর করে আপনি কোন শ্রেনীর আসনে ভ্রমণ করবেন তার ওপর। বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রীদের সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যাটাগরির আসনের ব্যবস্থা রেখেছে।

সাধারণত এই ট্রেনে দুই ধরনের আসন ব্যবস্থা বেশি জনপ্রিয়—শোভন চেয়ার এবং স্নিগ্ধা (এসি সিট)। নিচে ১৫% ভ্যাটসহ টিকিটের মূল্য তালিকা দেওয়া হলো:

আসন বিভাগটিকেটের মূল্য (১৫% ভ্যাটসহ)মন্তব্য
শোভন চেয়ার৩৬০ টাকানন-এসি, আরামদায়ক সিট
স্নিগ্ধা (এসি সিট)৬৯০ – ৮২৮ টাকাএসি, লাক্সারি সিট
এসি কেবিনপ্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভিন্নকেবিন সুবিধা উপলব্ধ থাকলে

লক্ষ্য করুন: টিকিটের এই মূল্য তালিকা রাজশাহী থেকে খুলনা সম্পূর্ণ রুটের জন্য প্রযোজ্য। আপনি যদি মাঝখানের কোনো স্টেশনে নামেন, তবে ভাড়া দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে কিছুটা কম হবে। বর্তমান সময়ে অনলাইনে টিকিট কাটলে এর সাথে নামমাত্র কিছু সার্ভিস চার্জ যুক্ত হতে পারে।

অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম

এখন আর স্টেশনে গিয়ে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার প্রয়োজন নেই। ঘরে বসেই খুব সহজে আপনি কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী দেখে টিকিট কাটতে পারেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd অথবা “Rail Sheba” অ্যাপ ব্যবহার করে টিকিট কাটা যায়।

ধাপসমূহ:

  • প্রথমে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের এনআইডি (NID) দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন।
  • “From” অপশনে আপনার যাত্রা শুরুর স্টেশন এবং “To” অপশনে গন্তব্য স্টেশন সিলেক্ট করুন।
  • যাত্রার তারিখ নির্বাচন করুন এবং “Search Train” বাটনে ক্লিক করুন।
  • কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি নির্বাচন করে আপনার পছন্দমতো সিট সিলেক্ট করুন।
  • পেমেন্ট গেটওয়ে (bKash, Nagad, Card) ব্যবহার করে ভাড়া পরিশোধ করুন।
  • টিকিট কনফার্ম হলে ইমেইল বা ড্যাশবোর্ড থেকে টিকিটটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন অথবা মোবাইলে সেভ রাখুন।

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস কেন যাত্রীদের পছন্দ?

রাজশাহী-খুলনা রুটে চলাচলকারী অন্যান্য লোকাল বা মেইল ট্রেনের তুলনায় কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস অনেক বেশি জনপ্রিয়। এর পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে:

  • দ্রুতগামী: এটি একটি আন্তঃনগর ট্রেন, তাই এটি নির্দিষ্ট কিছু স্টেশন ছাড়া থামে না। ফলে গন্তব্যে দ্রুত পৌঁছানো যায়।
  • নিরাপত্তা: আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকে। জিআরপি পুলিশ এবং এটেন্ডেন্টরা যাত্রীদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকেন।
  • আরামদায়ক সিট: শোভন চেয়ার এবং এসি কোচগুলোর সিট বেশ প্রশস্ত এবং আরামদায়ক, যা দীর্ঘ ভ্রমণে ক্লান্তি কমায়।
  • খাবার সুবিধা: ট্রেনে একটি মানসম্মত প্যান্ট্রি কার বা খাবারের বগি সংযুক্ত থাকে। যাত্রীরা চাইলে বার্গার, চা, কফি, এবং স্ন্যাকস অর্ডার করতে পারেন।

ভ্রমণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা

ট্রেন ভ্রমণ আনন্দদায়ক হলেও কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। এতে আপনার এবং আপনার সহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

  • টিকিট ছাড়া ভ্রমণ করবেন না: বিনা টিকিটে ভ্রমণ করা দণ্ডনীয় অপরাধ। সব সময় নিজের টিকিট সাথে রাখুন ও টিটিই (TTE) চাইলে প্রদর্শন করুন।
  • সময়ের দিকে খেয়াল রাখুন: যেহেতু এটি একটি আন্তঃনগর ট্রেন, তাই এটি স্টেশনে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করে না। ট্রেনের সময়সূচীর অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানো বুদ্ধিমানের কাজ।
  • মালামালের নিরাপত্তা: নিজের লাগেজ এবং মূল্যবান জিনিসপত্র নিজ দায়িত্বে রাখুন। জানালার পাশে বসলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন, কারণ চলন্ত অবস্থায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটতে পারে।
  • অপরিচিতদের থেকে সাবধান: ভ্রমণে অপরিচিত কারো দেওয়া খাবার খাবেন না। এটি অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • এনআইডি সাথে রাখা: অনলাইনে টিকিট কাটলে ভ্রমণের সময় যাত্রীর এনআইডি বা জন্ম সনদের কপি সাথে রাখা বাধ্যতামূলক।

রাজশাহী ও খুলনার পর্যটন সম্ভাবনা

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি পর্যটনের দুয়ারও খুলে দিয়েছে। আপনি যদি রাজশাহীতে যান, তবে সেখানে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, বাঘা মসজিদ এবং পদ্মার পাড় ঘুরে দেখতে পারেন। বিশেষ করে আমের মৌসুমে রাজশাহী ভ্রমণ এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেয়।

অন্যদিকে, খুলনায় গেলে সুন্দরবন, ষাট গম্বুজ মসজিদ (বাগেরহাট কাছেই), এবং রূপসা সেতু দেখার সুযোগ রয়েছে। এই দুই শহরের মধ্যে সংযোগকারী হিসেবে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস পর্যটকদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

যাত্রীদের মনে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে প্রায়ই কিছু প্রশ্ন থাকে। এখানে বহুল জিজ্ঞাসিত কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো।

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি সপ্তাহে কতদিন চলে?

ট্রেনটি সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে। শনিবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটি থাকে।

রাজশাহী থেকে খুলনা যেতে কত সময় লাগে?

সময়সূচী অনুযায়ী প্রায় ৫ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট থেকে ৬ ঘণ্টা সময় লাগে। তবে ক্রসিং বা যান্ত্রিক কারণে সময় কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসে কি খাবার পাওয়া যায়?

হ্যাঁ, এই ট্রেনে খাবারের বগি বা ক্যাটারিং সার্ভিস রয়েছে। আপনি নির্ধারিত মূল্যে হালকা নাস্তা এবং দুপুরের/রাতের খাবার কিনতে পারবেন।

আমি কি অগ্রিম টিকিট কাটতে পারব?

হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী যাত্রার তারিখের ১০ দিন আগে থেকে অনলাইন এবং কাউন্টারে অগ্রিম টিকিট পাওয়া যায়।

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস কি হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পার হয়?

হ্যাঁ, রাজশাহী থেকে খুলনা যাওয়ার পথে ঈশ্বরদী ও ভেড়ামারা স্টেশনের মাঝখানে ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং লালন শাহ সেতু অতিক্রম করে এই ট্রেনটি। এটি যাত্রাপথের অন্যতম সুন্দর দৃশ্য।

শেষ কথা

রাজশাহী ও খুলনার মানুষের জন্য কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস একটি নির্ভরযোগ্য বাহন। সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো এবং আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য এই ট্রেনের জুড়ি নেই। আজকের আর্টিকেলে আমরা চেষ্টা করেছি কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী, ভাড়ার তালিকা এবং টিকেট কাটার নিয়ম সম্পর্কে আপনাদের সঠিক তথ্য প্রদান করতে।

আশা করি, এই তথ্যগুলো আপনার পরবর্তী ভ্রমণে সহায়ক হবে। তবে ট্রেনের সময়সূচী মাঝেমধ্যে পরিবর্তন হতে পারে। তাই ভ্রমণের আগে রেলওয়ের অ্যাপ বা ওয়েবসাইট থেকে লেটেস্ট আপডেট দেখে নেওয়া ভালো।

Md Shihab Hossen

আমি রেলওয়ে বিষয়ে প্রতিনিয়ত আপডেট তথ্য প্রদান করে থাকি। আমার উদ্দেশ্য সকলকে সঠিক তথ্য প্রদান করা এবং সকল সাধারণ মানুষকে সাহায্য করা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button