চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬
বাংলাদেশের পর্যটন নগরী সিলেট এবং বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো রেলওয়ে। আপনি যদি পাহাড় আর চা বাগানের দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ট্রেনের সময়সূচী এবং বর্তমান ভাড়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। ৩৭৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথে ট্রেন ভ্রমণ কেবল সাশ্রয়ী নয়, বরং এটি অত্যন্ত আরামদায়ক ও রোমাঞ্চকর।
সময়ভেদে পরিবর্তিত হতে পারে এমন ভাড়ার তালিকা এবং রেলওয়ের নতুন কোচ সংযোজনের তথ্যগুলো আমরা যাচাই করে এখানে উপস্থাপন করেছি।
চট্টগ্রাম টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী এক নজরে
যাত্রীদের সুবিধার্থে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোর সংক্ষিপ্ত তালিকা নিচে দেওয়া হলো। সাধারণত দেখা যায় একটি টেবিল থেকে তথ্য দ্রুত বোঝা সম্ভব হয়।
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নং | ছাড়ার সময় | সিলেট পৌঁছাবে | বন্ধের দিন |
|---|---|---|---|---|
| পাহাড়িকা এক্সপ্রেস | ৭১৯ | সকাল ৭:৫০ | বিকাল ৪:৩০ | সোমবার |
| উদয়ন এক্সপ্রেস | ৭২৩ | রাত ৯:৪৫ | ভোর ৫:৪৫ | শনিবার |
| জালালাবাদ এক্সপ্রেস | ১৩ | বন্ধ | বন্ধ | নাই |
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস (৭১৯) এর বিস্তারিত তথ্য ও সময়সূচী
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস বাংলাদেশ রেলওয়ের অন্যতম দ্রুতগামী ও জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেন। ১৯৮৬ সালের ১৬ই মে এই ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়। ইন্দোনেশীয় লাল-সবুজ এয়ার ব্রেক কোচ সমৃদ্ধ এই ট্রেনটি চট্টগ্রামের পাহাড় আর সিলেটের চা বাগানকে এক সুতায় গেঁথেছে।
চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৭:৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ যাত্রাপথ শেষে ট্রেনটি বিকাল ৪:৩০ মিনিটে সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়। অর্থাৎ মোট সময় লাগে প্রায় ৮ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। পাহাড়িকা এক্সপ্রেসে বর্তমানে ৬২৬টি আসন রয়েছে, যার মধ্যে এসি সিট ৬৬টি, এসি চেয়ার ১১০টি এবং শোভন চেয়ার ৪৫০টি।
বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় দিনের বেলা ভ্রমণের জন্য পর্যটকরা পাহাড়িকা এক্সপ্রেসকেই বেছে নেন। কারণ এই ট্রেনে চড়ে জানালা দিয়ে দুপাশে শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওর আর পাহাড়ি সৌন্দর্য প্রাণভরে উপভোগ করা যায়। ট্রেনের ভেতরে একটি উন্নত মানের খাবার গাড়ি (Dining Car) রয়েছে, যেখানে যাত্রীরা নাশতা ও দুপুরের খাবার সেরে নিতে পারেন।
পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের স্টপেজ ও বিরতিস্থল
চট্টগ্রাম থেকে সিলেট পৌঁছাতে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস মোট ১৫টি স্টেশনে যাত্রা বিরতি করে। এই বিরতিগুলো সম্পর্কে জানা থাকলে আপনি আপনার গন্তব্য অনুযায়ী নামার প্রস্তুতি নিতে পারবেন:
- চট্টগ্রাম (ছাড়বে): সকাল ৭:৫০
- ফেনী: সকাল ৯:১৩
- নাঙ্গলকোট: সকাল ৯:৪৩
- লাকসাম: সকাল ১০:০০
- কুমিল্লা: সকাল ১০:২৫
- কসবা: সকাল ১০:৫৮
- আখাউড়া: সকাল ১১:৩০
- হরষপুর: দুপুর ১২:০৫
- নয়াপাড়া: দুপুর ১২:২৮
- শায়েস্তাগঞ্জ: দুপুর ১২:৫০
- শ্রীমঙ্গল: দুপুর ১:৩০
- ভানুগাছ: দুপুর ১:৫৫
- সমশেরনগর: দুপুর ২:০৬
- কুলাউড়া: দুপুর ২:৩২
- মাইজগাঁও: দুপুর ৩:০৭
- সিলেট (পৌঁছাবে): বিকাল ৪:৩০
উদয়ন এক্সপ্রেস (৭২৩) এর বিস্তারিত তথ্য ও সময়সূচী
আপনি যদি রাতের বেলা যাত্রা করতে পছন্দ করেন, তবে উদয়ন এক্সপ্রেস আপনার জন্য সেরা বিকল্প। ১৯৮৮ সালের ১৬ই মে এটি উদ্বোধন করা হয়। রাতের আকাশের সৌন্দর্য আর ট্রেনের ঝিকঝিক শব্দে যারা ঘুমাতে বা ভ্রমণ করতে ভালোবাসেন, তাদের কাছে এটি প্রথম পছন্দ।
অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী, উদয়ন এক্সপ্রেস রাত ৯:৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যায় এবং পরদিন ভোর ৫:৪৫ মিনিটে সিলেটে পৌঁছায়। রাতে চলাচলের কারণে এই ট্রেনটি মাত্র ৮ ঘণ্টায় সিলেট পৌঁছে দেয়। এতে এসি বার্থ ৩৬টি, এসি চেয়ার ১১০টি এবং শোভন চেয়ার ৪৫০টিসহ মোট ৫৯৬টি আসন রয়েছে।
সাধারণত দেখা যায় ব্যবসায়ীরা বা যারা পরদিন সকালে সিলেটে কাজ শুরু করতে চান, তারা উদয়ন এক্সপ্রেসে ভ্রমণ করেন। এই ট্রেনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পাওয়ার কারসহ আধুনিক এমজি পিটি ইনকা কোচ ব্যবহার করা হয়েছে।
উদয়ন এক্সপ্রেসের স্টপেজ বা বিরতিস্থল
উদয়ন এক্সপ্রেস রাতে চলাচল করায় পাহাড়িকার তুলনায় কিছুটা কম স্টেশনে থামে। এর স্টপেজগুলো হলো:
- চট্টগ্রাম (ছাড়বে): রাত ৯:৪৫
- ফেনী: রাত ১১:০৪
- লাকসাম: রাত ১১:৪৫
- কুমিল্লা: রাত ১২:০৯
- আখাউড়া: রাত ১:০৫
- শায়েস্তাগঞ্জ: রাত ২:১৮
- শ্রীমঙ্গল: রাত ৩:১০
- সমশেরনগর: রাত ৩:৩৮
- কুলাউড়া: ভোর ৪:০৪
- মাইজগাঁও: ভোর ৪:৩৫
- সিলেট (পৌঁছাবে): ভোর ৫:৪৫
সিলেট থেকে চট্টগ্রাম ফিরতি ট্রেনের সময়সূচী
ভ্রমণ শেষে ফেরার পালাও গুরুত্বপূর্ণ। সিলেট থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ফেরার জন্য একই ট্রেন দুটি ভিন্ন সময়সূচী অনুসরণ করে। সময়ভেদে পরিবর্তিত হতে পারে এমন ফিরতি সূচীটি নিচে দেওয়া হলো:
- পাহাড়িকা এক্সপ্রেস (৭২০): সিলেট থেকে ছাড়ে সকাল ১০:৩০ মিনিটে, চট্টগ্রাম পৌঁছায় সন্ধ্যা ৬:৫৫ মিনিটে। বন্ধের দিন বুধবার।
- উদয়ন এক্সপ্রেস (৭২৪): সিলেট থেকে ছাড়ে রাত ১০:০০ টায়, চট্টগ্রাম পৌঁছায় পরদিন ভোর ৫:৫৫ মিনিটে। বন্ধের দিন রবিবার।
চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ট্রেন ভাড়া ২০২৬
ট্রেনের টিকিটের মূল্য নির্ভর করে আপনি কোন ধরণের সিটে ভ্রমণ করবেন তার ওপর। বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রতিটি সিটের মান অনুযায়ী আলাদা আলাদা ভাড়া নির্ধারণ করেছে। চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ট্রেনের সময়সূচী জানার পর ভাড়া জেনে রাখা আর্থিক পরিকল্পনার জন্য সহায়ক।
| আসন বিভাগ (Class) | টিকিট মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| শোভন চেয়ার (Shovon Chair) | ৩৭৫ টাকা |
| স্নিগ্ধা এসি চেয়ার (Snigdha) | ৭১৯ টাকা |
| এসি সিট (AC Seat) | ৮৫৭ টাকা |
| এসি বার্থ (AC Berth) | ১,২৮৮ টাকা |
বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ঈদ বা বিশেষ ছুটির সময় টিকিটের হাহাকার পড়ে যায়। অনলাইনে টিকিট কাটলে প্রতি টিকিটে ২০ টাকা অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ প্রদান করতে হয়। টিকিট কাটার জন্য আপনি বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট বা ‘Rail Sheba’ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।
ট্রেনে মালামাল বহনের নিয়মাবলী ও ফ্রি লিমিট
ট্রেন ভ্রমণে আপনি কতটুকু মালামাল সাথে রাখতে পারবেন তার নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। অতিরিক্ত মালামাল বহন করলে অনেক সময় জরিমানা গুনতে হয়। অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী মালামাল বহনের লিমিট নিচে দেওয়া হলো:
- এসি বার্থ/সিট যাত্রী: ৫৬ কেজি পর্যন্ত ফ্রি।
- স্নিগ্ধা বা ১ম শ্রেণীর যাত্রী: ৩৭.৫ কেজি পর্যন্ত ফ্রি।
- শোভন চেয়ার যাত্রী: ২৮ কেজি পর্যন্ত ফ্রি।
- ২য় শ্রেণীর যাত্রী: ২৩ কেজি পর্যন্ত ফ্রি।
সাধারণত দেখা যায় এই সীমার বেশি মালামাল থাকলে তা ট্রেনের ব্রেক ভ্যানে বুকিং দিয়ে নেওয়া নিরাপদ ও আইনসম্মত।
অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম ২০২৬
এখন আর কাউন্টারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। আপনি খুব সহজেই স্মার্টফোন ব্যবহার করে টিকিট কাটতে পারেন। পদ্ধতিটি নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো:
- রেজিস্ট্রেশন: প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং ওয়েবসাইটে (eticket.railway.gov.bd) বা ‘Rail Sheba’ অ্যাপে এনআইডি (NID) দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন।
- সার্চ করুন: ‘From’ ঘরে ‘Chittagong’ এবং ‘To’ ঘরে ‘Sylhet’ লিখুন। আপনার যাত্রার তারিখ নির্বাচন করুন।
- ট্রেন নির্বাচন: পাহাড়িকা বা উদয়ন এক্সপ্রেসের মধ্য থেকে আপনার পছন্দের ট্রেনটি বেছে নিন।
- আসন নির্বাচন: সিট ম্যাপ দেখে আপনার কাঙ্ক্ষিত আসনগুলো বুক করুন।
- পেমেন্ট: বিকাশ, রকেট, নগদ বা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
- টিকিট ডাউনলোড: পেমেন্ট শেষে ই-টিকিট ডাউনলোড করে নিন। যাত্রার সময় মোবাইলে এই টিকিট দেখালেই চলে, তবে প্রিন্ট কপি রাখা ভালো।
যাত্রীদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নিরাপত্তা
দীর্ঘ যাত্রায় কিছু সতর্কতা মেনে চললে ভ্রমণ অনেক আনন্দদায়ক হয়। চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী যাত্রা শুরু করার আগে নিচের টিপসগুলো মেনে চলুন:
- সময়মতো পৌঁছানো: ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন।
- অচেনা মানুষের খাবার: বাসে বা ট্রেনে অপরিচিত কারো দেওয়া বিস্কুট বা পানীয় গ্রহণ করবেন না।
- পরিচ্ছন্নতা: ট্রেনের ভেতরে ময়লা-আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলে নির্ধারিত বিন ব্যবহার করুন।
- মোবাইল চার্জ: যদিও আধুনিক কোচগুলোতে চার্জিং পয়েন্ট থাকে, তবুও ব্যাকআপ হিসেবে পাওয়ার ব্যাংক সাথে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
- খাবার ও পানি: যদিও ট্রেনে খাবার গাড়ি আছে, তবুও সাথে শুকনো খাবার ও পর্যাপ্ত খাবার পানি রাখুন।
জালালাবাদ এক্সপ্রেস ও বর্তমান অবস্থা
জালালাবাদ এক্সপ্রেস ছিল একটি জনপ্রিয় কমিউটার ট্রেন যা সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ভ্রমণের সুযোগ করে দিত। তবে বর্তমানে এই ট্রেনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত বা বন্ধ আছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে এই রুটে নতুন কোনো লোকাল বা কমিউটার ট্রেন চালু করলে আমরা আমাদের পোর্টালে তা আপডেট করে দেব।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
১. চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ট্রেনের দূরত্ব কত?
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের রেলপথে মোট দূরত্ব আনুমানিক ৩৭৭ কিলোমিটার।
২. পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের বন্ধের দিন কবে?
পাহাড়িকা এক্সপ্রেস (৭১৯) প্রতি সোমবার চট্টগ্রাম থেকে সিলেট যাত্রাকালে বন্ধ থাকে। তবে সিলেট থেকে চট্টগ্রাম ফেরার সময় (৭২০) এটি বুধবার বন্ধ থাকে।
৩. উদয়ন এক্সপ্রেসে কি এসি ক্যাবিন আছে?
হ্যাঁ, উদয়ন এক্সপ্রেসে এসি বার্থ বা ক্যাবিন সুবিধা রয়েছে। আপনি যদি রাতে শুয়ে যেতে চান তবে এসি বার্থ বুক করতে পারেন যার মূল্য ১,২৮৮ টাকা।
৪. ট্রেনের টিকিট কতদিন আগে কাটা যায়?
সাধারণত ভ্রমণের ১০ দিন আগে থেকে ট্রেনের টিকিট অনলাইন বা কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যায়।
৫. ট্রেনের টিকিট কি ফেরত দেওয়া যায়?
হ্যাঁ, ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে টিকিট ফেরত দিলে কিছু সার্ভিস চার্জ বাদে বাকি টাকা রিফান্ড পাওয়া যায়। সময় যত কমবে, রিফান্ড ফি তত বাড়বে।
শেষ কথা
চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ট্রেন ভ্রমণ যেমন সাশ্রয়ী, তেমনি এটি প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়ার এক অনন্য সুযোগ। চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুসরণ করে আপনি আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজাতে পারেন। পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের দিনের যাত্রা বা উদয়ন এক্সপ্রেসের রাতের স্নিগ্ধতা—আপনার পছন্দের ওপর ভিত্তি করে আজই টিকিট বুক করে ফেলুন।
বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সঠিক তথ্যের অভাবে আমরা ভুল সময় স্টেশনে পৌঁছাই। আশা করি, আমাদের এই দীর্ঘ এবং বিস্তারিত প্রতিবেদনটি আপনার যাত্রা সহজ ও নিরাপদ করতে সাহায্য করবে। নিরাপদ রেল ভ্রমণের মাধ্যমে চা বাগানের দেশ সিলেটে আপনার যাত্রা আনন্দদায়ক হোক—এই কামনায় আজকের আর্টিকেলটি এখানেই শেষ করছি।
নোট: বাংলাদেশ রেলওয়ে যেকোনো সময় ট্রেনের সময়সূচী বা ভাড়ার পরিবর্তন করতে পারে। সর্বশেষ তথ্যের জন্য রেলওয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট বা নিকটস্থ রেলওয়ে স্টেশনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হলো।



